সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মাস্টারমাইন্ড’ বিতর্কে জড়ালেন সোহেল তাজ
ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে? এ নিয়ে ত্রিমুখী বিতর্ক শুরু হয়েছে সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে। এই তালিকায় এখন চলে এসেছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামও! আর নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন সোহেল তাজ।
মূলতঃ নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বমঞ্চে তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মূলত এর পর থেকেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এরপর শনিবার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু দাবি করেছেন, এই আন্দোলনের একমাত্র ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছেন তারেক রহমান। কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যা করা দরকার সবই করেছেন তিনি।
এরপর ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লিখেছেন, আজকে পত্রিকায় পড়লাম বিএনপির নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন যে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ তারেক রহমান। আবার জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সাহেব বলেছেন, এই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতার, কোনো দলের নয়। আবার কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছে মাহফুজ।
তিনি লেখেন, আশ্চর্য হওয়ার কিছুই থাকবে না যদি কয়েকদিন পর শোনা যায় যে আসল ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছে সজীব ওয়াজেদ জয়।
সোহেল তাজ স্মরণ করিয়ে দেন- ‘আমাদের সবার নিশ্চই মনে আছে, বেচারা প্রিন্স চার্লসের কত বছরই না অপেক্ষা করতে হয়েছিল রাজা হওয়ার জন্য।’
তার পোস্টে তীর্যক মন্তব্যই পড়ছে বেশি। এদের মধ্যে ব্যারিস্টার খোন্দকার হাসান শাহরিয়ার লিখেছেন, আসল মাস্টার মাইন্ড আপনি। সেই কারণেই মিডিয়ার সামনে যা মনে আসছে তাই উল্টাপাল্টা বলে গেছেন
আবদুর রহিম খাঁন বাবু নামে আকেজন কমেন্ট করে লেখেন, পচানোর একটা ডিপ্লোমেটিক সিস্টেম থাকে কিন্তু আপনি সজীব ওয়াজেদ জয়কে পচাতে এসে, আপনি নিজেই চরম হীনমন্যতায় ভুগছেন তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট করে দিলেন। ফারুক আহমেদ লিখেছেন, পাবনা বেশী দূর না। আপনার চিকিৎসা দরকার। বডি ফুইলা ঘিলু শেষ হয়া গেছে। এবার পাগলা গারদ ভরষা আপনার। আরিফা রহমান রুমা লিখেছেন, ‘বঙ্গতাজের জন্য কষ্ট হচ্ছে। আপনার পরিবারের অনেকেই আমার ঘনিষ্ট। আপনার প্রোপার চিকিৎসা কেন করাচ্ছে না , বুঝলাম না’।







